
Adenomyosis and pregnancy :
অ্যাডিনোমায়োসিসে আক্রান্ত অনেক মানুষই সফল গর্ভধারণ করতে পারেন , কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে যে , গর্ভধারণের আগে এই অবস্থা নিয়ন্ত্রণ করলে গর্ভাবস্থার ফলাফল অনেক উন্নত হতে পারে । চিকিৎসা না করা হলে জরায়ুতে সৃষ্ট কাঠামোগত এবং প্রদাহজনক পরিবর্তনের কারণে অ্যাডিনোমায়োসিস গর্ভাবস্থার জটিলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে । অ্যাডেনোমায়োসিসের ফলে জরায়ু পেশি প্রাচীরের ( মায়োমেট্রিয়াম ) এন্ডোমেট্রায়াল টিস্যুর বৃদ্ধি ঘটে । এই বৃদ্ধি জরায়ুর পেশির স্বাভাবিক গঠনকে ব্যাহত করে । যার ফলে জরায়ুর প্রাচীর ফুলে ওঠে এবং ঘন হয়ে যায় । এই প্রদাহ এবং ব্যাঘাত একটি সুস্থ গর্ভাবস্থাকে সমর্থনকারী গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগুলিতে হস্তক্ষেপ করতে পারে ,
যেমন ইমপ্লান্টেশন , প্লাসেন্টাল বিকাশ এবং ভ্রূণের বৃদ্ধির পরিবেশ । জরায়ুর পেশি ভর বৃদ্ধি এবং প্রদাহ অকাল প্রসবের ঝুঁকি এবং ভ্রূণের বৃদ্ধি সীমিত করতে পারে , কারণ জরায়ু মসৃণ ভাবে প্রসারিত হতে কম সক্ষম হয় ।
* গর্ভাবস্হায় আ্যাডিনোমায়োসিসের লক্ষনগুলি হলো :
কিছু মহিলার ক্ষেত্রে , গর্ভাবস্থাই প্রথমবারের মতো তাদের অ্যাডেনোমায়োসিস ধরা পড়তে পারে । যে সব ক্ষেত্রে গর্ভাবস্হার আগে লক্ষণগুলি হালকা বা নিয়ন্ত্রণযোগ্য ছিল , সেখানে রোগটি নির্ণয় করা নাও হতে পারে , যার ফলে কিছু অপ্রত্যাশিত লক্ষণ দেখা যায় । অ্যাডেনোমায়োসিস জরায়ুকে বড় করে তুলতে পারে , যা কখনও কখনও গর্ভাবস্হায় অতিরিক্ত অস্বস্তির কারণ হতে পারে । অ্যাডিনোমায়োসিস আক্রান্ত মহিলাদের গর্ভাবস্হার অভিজ্ঞতা ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয় ।
কিছু মহিলাদের মধ্যে কেবল হালকা লক্ষণ দেখা দিতে পারে , আবার অন্যদের মধ্যে হরমোনের পরিবর্তন এবং গর্ভাবস্থার রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধির কারণে কিছু লক্ষনের বৃদ্ধি দেখা যায় । সাধারণ লক্ষনগুলির মধ্যে রয়েছে
. পেটে খিঁচুনি – খিঁচুনি প্রায়শই হালকা হয় কিন্তু কারো কারো ক্ষেত্রে এটি আরও তীব্র হতে পারে । বিশেষ করে যখন জরায়ুর ক্রমবর্ধমান শিশুর জন্য প্রসারিত হয় ।
. পিঠের নিচের অংশে অস্বস্তি – এটি আরেকটি সাধারণ অভিজ্ঞতা কারন অ্যাডেনোমায়োসিস চাপের অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারে যা গর্ভাবস্থার পিঠের সাধারণ অস্বস্তি আর ও বেশি হয় ।
. শ্রোণী অঞ্চলে ব্যথা এবং চাপ : অনেক মহিলা শ্রোণী অঞ্চলে চাপের অনুভূতির কথা জানান । যা জরায়ু প্রসারিত হওয়ার সাথে সাথে আরও লক্ষনীয় হতে পারে ।
. দাগ পড়া বা রক্তপাত – হালকা দাগ দেখা দিতে পারে , যদিও স্বাস্হ্য সেবা প্রদানকারীর সাথে যে কোন রক্তপাত নিয়ে আলোচনা করা গুরুত্বপূর্ণ ।
* fertility উপর প্রভাব :
. ইমপ্লান্টেশন – অ্যাডেনোমায়োসিস জরায়ুর পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলতে পারে , যার ফলে ভ্রূণের ইমপ্লান্টেশন আরও কঠিন হয়ে পড়ে বা গর্ভপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায় ।
. প্রসবোত্তর জটিলতা – অ্যাডিনোমায়োসিস প্রসবোত্তর রক্তক্ষরন এবং জরায়ু সংক্রমনের ঝুঁকির সাথে ও যুক্ত হতে পারে ।
* অ্যাডিনোমায়োসিস কিভাবে বন্ধ্যাত্বের সাথে সম্পর্কিত :
প্রাথমিক ভাবে বন্ধ্যাত্বের সাথে অ্যাডেনোমায়োসিসের সম্পর্ক মনে করা হবে না ।
তবে আল্ট্রাসাউন্ডের মতো ইমেজিং কৌশলের উন্নতির সাথে সাথে চিকিৎসকরা বন্ধ্যাত্বকে অ্যাডেনোমায়োসিসের সাথে আরও ভালোভাবে নির্নয় করতে এবং এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারেন । গবেষণায় দেখা গেছে যে বন্ধ্যাত্ব সাধারণত সেই ক্ষেত্রে নির্নয় করা হয় যেখানে মহিলারা অ্যাডিনোমায়োসিস , এন্ডোমেট্রিওসিস , এবং পলিপের মতো অন্যান্য অবস্হার সাথে সহাবস্থান করে ।
* যদিও অ্যাডিনোমায়োসিস উর্বরতার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে , এটি গর্ভাবস্থার জন্য একটি অপ্রতিরোধ্য বাধা নয় । অ্যাডিনোমায়োসিসে আক্রান্ত মহিলারা এখনও সফল গর্ভধারণ অর্জন করতে পারেন , সেটি হলো একটিমাত্র treatment , the womb fertility treatment . এই treatment পুরোপুরি natural treatment . যার কোন রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই
এই চিকিৎসার জন্য আপনাকে কোন রকম ওষুধ খেতে হবে না , কোন ব্যথা দায়ক ইনজেকশন নিতে হবে না । খুব কম খরচে , এবং খুব কম সময়ে 3 – 6 মাসের মধ্যে এখানে treatment করে আপনি পুরো সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং এই কঠিন সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন ।

